স্ত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী গ্রেফতার
- আপলোড সময় : ০৮-১২-২০২৫ ০২:৫০:৩২ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৮-১২-২০২৫ ০৩:১৩:১৮ পূর্বাহ্ন
ধর্মপাশা ও মধ্যনগর প্রতিনিধি :: ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের বগারপাচুর গ্রামে স্বামী ও তাঁর পরিবারের লোকজনদের মানসিক নির্যাতন সইতে না পেরে রুমা আক্তার (২০) এক গৃহবধূকে আত্মহত্যার ঘটনায় প্ররোচিত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর স্বামী কামরুল ইসলাম (২৪) কে রবিবার ভোর রাত সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলার ধর্মপাশা গ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শনিবার গভীর রাতে পাশের মোহনগঞ্জ উপজেলার শুকদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা গৃহবধূর মা রোকসানা আক্তার (৩৯) বাদী হয়ে মেয়ের স্বামী কামরুল ইসলাম, শ্বশুর দ্বীন ইসলাম (৫৫) ও শাশুড়ি কুলছুমা বেগম (৪৮) এই তিনজনকে আসামি করে ধর্মপাশা থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলার এজাহার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার বড়তলী বানিয়াহারি ইউনিয়নের শুকদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলামের মেয়ে রুমা আক্তারের সঙ্গে ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের বগারপাচুর গ্রামের দ্বীন ইসলামের ছেলে কামরুল ইসলামের প্রায় দেড় বছর আগে বিয়ে হয়। গৃহবধূ অন্তঃসত্ত্বা হলে তিন মাস আগে সন্তান প্রসবের জন্য তাঁকে তাঁর বাবার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সন্তান প্রসবকালীন ওই গৃহবধূর নবজাতক কন্যা শিশু মারা যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গৃহবধূ ও তাঁর বাবার বাড়ির লোকজনকে দায়ী করে বিভিন্নভাবে মানসিক যন্ত্রণা দিয়ে আসছিলেন স্বামীর পরিবারের লোকজন। শনিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে স্বামীর বাড়ির বসতঘরের আড়ের সঙ্গে গৃহবধূর গলায় পাটের রশি প্যাঁচানো ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান স্বামীর পরিবারের লোকজন। পরে তাকে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ধর্মপাশা থানার এসআই সাইফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। শনিবার রাত ১১টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ওই গৃহবধূর লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি গৃহবধূর স্বামীকে রবিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

ধর্মপাশা প্রতিনিধি